আদালতে কড়া নিরাপত্তা, সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি আর আইনজীবীদের হইচইয়ের মধ্যে দিয়ে শুনানি শেষে সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।
মাদারীপুর থেকে আটবার নির্বাচিত সাবেক এ এমপিকে গ্রেপ্তারের পরদিন শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয় নিরাপত্তার চাঁদরে।
তাকে পুলিশের হেলমেট ও জ্যাকেট পরানো হয়; চারপাশে ঘিরে থাকেন পুলিশ সদস্যরা।
দুপুর থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বাড়তি পুলিশের পাশাপাশি আদালত প্রাঙ্গণে সেনা সদস্যদেরও দেখা যায়।
আদালত প্রাঙ্গণে ঢোকার জন্য জনসন রোড ও কোর্ট হাউজ স্ট্রিটের দুটি মূল ফটক বন্ধ করে পাহারায় নিয়োজিত হন পুলিশ ও সেনা বাহিনীর সদস্যরা। এ দুটি ফটকের ছোট দরজা (পকেট গেইট) দিয়ে পরিচয়পত্র দেখে আদালত প্রাঙ্গণে ঢোকানো হয় আইনজীবী ও সাংবাদিকদের।
বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশের গাড়িবহরে করে শাজাহান খানকে আদালতে আনা হয়। সাদা রঙের ভবনটির ষষ্ঠ তলার ১২ নম্বর এজলাসে শুনানির কথা থাকলেও নিরাপত্তার কারণে তাকে একই ভবনের দ্বিতীয় তলার ২৮ নম্বর এজলাসে নেওয়া হয় দশ মিনিট পর। শুনানির জন্য ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুব আহমেদ এজলাসে ওঠেন বিকাল ৪টা ২৩ মিনিটে।এর আগে শাজাহান খানকে এজলাসে আনার সঙ্গে সঙ্গে দোতলার সিঁড়ির পাশে লোহার গেইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ভেতর ঢুকতে চাইলেও পুলিশ তাদের সুযোগ দেয়নি। পরে পুলিশের এক কর্মকর্তা এসে শুধু প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের ঢোকার সুযোগ দেন। তবে যাদের হাতে ক্যামেরা ছিল তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
0 comments:
Post a Comment